সেখানে সবচেয়ে আলোচিত বাদ পড়াদের একজন জোয়াও পেদ্রো। চেলসির এই ফরোয়ার্ডকে আনচেলত্তি এর আগে পাঁচবারের মধ্যে তিনটি আন্তর্জাতিক উইন্ডোর দলে রেখেছিলেন। চলতি মৌসুমে ক্লাবের হয়ে ১৫ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট করে তিনি প্রিমিয়ার লিগে চেলসির সর্বোচ্চ গোলদাতাও ছিলেন। তবু শেষ পর্যন্ত জায়গা হয়নি বিশ্বকাপের বিমানে।
গত মার্চের ফিফা উইন্ডোতে থাকা কয়েকজন ফুটবলারও এবার বাদ পড়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন গোলরক্ষক হুগো সুজা ও বেন্তো ম্যাথিউস, ডিফেন্ডার কাইকি, মিডফিল্ডার আন্দ্রে সান্তোস ও গ্যাব্রিয়েল সারা। জায়গা হয়নি রিচার্লিসন এবং আন্দ্রে পেরেইরারও। মার্চে অবশ্য ইনজুরির কারণে নিয়মিত কয়েকজন ফুটবলার না থাকায় বিকল্প হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন হুগো সুজা ও কাইকি। আনচেলত্তির শুরু দিককার পরিকল্পনায় আন্দ্রে সান্তোস ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ নাম।
রক্ষণভাগ: অ্যালেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডি. সান্তোস, মাগালিয়ায়েস, ইবানিজ, লিও পেরেইরা, মার্কিনহোস, ওয়েসলি।
মধ্যমাঠ: ব্রুনো গিমারায়েস, কাজেমিরো, দানিলো, ফাবিনহো, পাকেতা।
আক্রমণভাগ: এন্দ্রিক, মার্তিনেল্লি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাথেউস কুনহা, নেইমার জুনিয়র, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনহা, রায়ান।