ঘটনার পরপরই শত শত উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে স্ট্রেচারে আহতদের বহন করতে দেখা যায়, পাশে ছিল একাধিক অ্যাম্বুলেন্স। এখন পর্যন্ত শতাধিক আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আহতদের চিকিৎসা ও জীবিতদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
শানসি প্রদেশকে চীনের কয়লাখনির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০০০ সালের শুরুর দিকে দেশটির কয়লাখনিগুলোতে প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটত। পরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হলেও এখনো মাঝেমধ্যে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে।
এর আগে ২০২৩ সালে ইনার মঙ্গোলিয়ার একটি উন্মুক্ত কয়লাখনি ধসে ৫৩ জন নিহত হন। আর ২০০৯ সালে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হেইলুংচিয়াং প্রদেশে একটি খনিতে বিস্ফোরণে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।