প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, যেসব পণ্যের দাম বাড়বে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- কাজুবাদাম, আমদানিকৃত পাঙাশ ফিলেট, সিগারেট, নিকোটিন পাউচ, হিটেড টোব্যাকো, ১২০০ থেকে ১৬০০ সিসি ক্ষমতার পেট্রোল ও ডিজেল চালিত গাড়ি, আমদানিকৃত ওয়াশিং মেশিন, জিপসাম বোর্ড ও শিট, কপার টিউব ও কপারের তার, কোল্ড-রোল্ড কয়েল ও শিট, পিভিসি ও পিইটি রেজিন, মেইজ স্টার্চ, পলিয়েস্টার স্ট্যাপল ফাইবার এবং বিভিন্ন শিল্পপণ্য।
কাজুবাদাম ও আমদানিকৃত মাছের দাম বাড়তে পারে
প্রস্তাবিত বাজেটে অপ্রক্রিয়াজাত কাজুবাদামের আমদানি শুল্ক ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ এবং প্রক্রিয়াজাত কাজুবাদামের শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে বাজারে আমদানিনির্ভর কাজুবাদামের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার অংশ হিসেবে সব স্তরের সিগারেটের ন্যূনতম খুচরা মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি নিকোটিন পাউচের ওপর ৪০ শতাংশ এবং হিটেড টোব্যাকো পণ্যের ওপর ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। ফলে এসব পণ্যের দাম বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দেশীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুরক্ষা দিতে আমদানিকৃত ওয়াশিং মেশিনের ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। একইভাবে জিপসাম বোর্ড ও জিপসাম শিট আমদানির ওপর ২০ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রয়েছে, যা নির্মাণ খাতের ব্যয় বাড়াতে পারে।
শিল্পের কাঁচামালে শুল্ক বৃদ্ধি