শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক পর্যায়ে নতুন স্কুল, কলেজ ও ক্যাডেট কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে ৬৭০টি নতুন স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দেশের শিক্ষাখাতে একটি বড় কর্মসূচি।
নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরিসংখ্যানে অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে গ্রামাঞ্চলে নারীদের উপস্থিতি ছেলেদের তুলনায় বেশি দেখা যায়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় ‘ফুড ফর এডুকেশন’ কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে এ অগ্রযাত্রার সূচনা হয়েছিল। পরে তা নগদ সহায়তা ও উপবৃত্তি কর্মসূচিতে রূপান্তরিত হয়।
এহছানুল হক মিলন বলেন, নারীদের জন্য উপবৃত্তি চালুর ফলে শিক্ষায় তাদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পরবর্তীতে এ সুবিধা উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হয়েছে এবং ধীরে ধীরে ডিগ্রি পর্যায়েও নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে ছেলে ও নারী উভয়ের জন্য এ ধরনের সহায়তা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
‘ভ্যালিডেশন ওয়ার্কশপ অন দ্য বাংলাদেশ এডুকেশন সেক্টর অ্যানালাইসিস (ইএসএ)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এতে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরীসহ শিক্ষাবিদ ও ইউনিসেফের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।