প্রথম গোল হজমের পর সমতা ফেরাতে মরিয়া ছিল ব্রাজিল। কিছুক্ষণ পর বাম পাশ থেকে পাকেতার ফ্রি কিকে মারকুইনহোসের হেড গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। এরপর কিছুটা দূর থেকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট সহজেই হাতে নেন সুজুকি। ৩৯ মিনিটে কুনহার দূর থেকে নেওয়া শটও লুফে নেন জাপান কিপার।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্রাজিলকে আক্রমণে তটস্থ করে রেখেছিল জাপান। রিতসু দোয়ান ডানপ্রান্ত দিয়ে বেশ ভালোই ভোগান্তিতে ফেলেছেন তাদের। ৪৪ মিনিটে তিনি জুনিয়া ইতোকে খুঁজে নেন, যিনি বক্সের ভেতর একটি বিপজ্জনক বল বাড়ান। সেটি ক্লিয়ার করতে ব্রাজিলকে বেশ বেগ পেতে হয়।
এরপর বামপ্রান্ত থেকে হিরোকি ইতো ভেতরের দিকে একটি বাঁকানো ক্রস বাড়ান। তবে ব্রাজিল কোনোমতে সেটিও সামাল দিয়ে নেয়। এটি জাপানের জন্য বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার আরও একটি ভালো সময়।
কিছুক্ষণ আগের সুযোগ মিস করার খেসারত চুকিয়ে ব্রাজিলের হয়ে সমতাসূচক গোলটি করেন কাসেমিরো! তার ৩ মিনিট পর ভিনিসিয়ুস বামপ্রান্ত থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দারুণ গতিতে তোমিয়াসুকে নাটমেগ করেন। বক্সের ভেতরে তিনি জাপানের আরেকজন খেলোয়াড়কে পুরোপুরি বোকা বানিয়ে ড্রিবল করে কাটিয়ে এগিয়ে যান এবং ডাইভ দেওয়া সুজুকিকে ফাঁকি দিয়ে শট নেন; কিন্তু বলটি পোস্টে লেগে ফিরে আসে এবং জাপানের রক্ষণভাগ বলটি ক্লিয়ার করে বিপদ মুক্ত করে।
৭৫ মিনিটে জাপানি কয়েকজন খেলোয়াড়কে ড্রিবলিংয়ে বোকা বানিয়ে ফাঁকি দিয়ে বামপ্রান্তের উইংয়ে থাকা ভিনিসিয়ুসকে বল বাড়ান এন্দ্রিক। ভিনিসিয়ুস গতি বাড়িয়ে বক্সের ভেতর ঢুকে তার ডান পায়ে বল নেন, কিন্তু তার পাসটি ভুল জায়গায় চলে যায় এবং জাপানের রক্ষণভাগ বলটি ক্লিয়ার করে।
এর কিছুক্ষণ পরেই গ্যাব্রিয়েল ব্যাক পোস্টে আরও একটি ডিপ ক্রস বাড়ান। এবার রায়ান হেডের মাধ্যমে বলের নাগাল পেলেও সুজুকির গায়ে লেগে বলটি পোস্টের বাইরে চলে যায় এবং ব্রাজিল একটি কর্নার পায়।
তবে জাপানের দৃঢ় রক্ষণের কারণে কর্নার থেকে কোনো সুযোগ তৈরি হতে পারেনি এবং তারা ব্রাজিলকে পেছনে হটে যেতে বাধ্য করে। ৮৯ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের একটি শট প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে কর্নার হয়।