নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী সময়ে নিজেদের অবস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক এবং গুম-খুনের বিচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে ডয়চে ভেলেকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের পর তারা এককভাবে সরকার গঠনে সক্ষম হবেন বলে আশাবাদী তিনি। এছাড়া ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে মায়ের মৃত্যু এবং নির্বাচনি প্রস্তুতি এই দুইয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখাই তার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল বলেও জানান তারেক রহমান।
এই নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, নির্বাচনটা সুষ্ঠু হবে। মানুষেরও তাই প্রত্যাশা। আমরা আশাবাদী।’ এছাড়া ১৭ বছর পরে দেশে ফেরে কেমন চ্যালেঞ্জ ফেস করছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘এত বছর পরে এসেছি, আসার পরে মানুষের চোখেমুখে একটা প্রত্যাশা দেখেছি। অন্যদিকে আসার পাঁচ দিন পরেই আম্মা মারা গেলেন। স্বাভাবিকভাবে এটাও একটা খুব কষ্টকর বিষয়। একদিকে নির্বাচনি ডামাডোল অন্যদিকে ব্যক্তিগত বিষয়- দুটোর সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আমার কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।
১৫-১৬ বছরে গুম খুনের বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকে সহায়তার ব্যাপারে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের নেতাকর্মীরা যেরকম গুম খুনের শিকার হয়েছে, অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল যারা আমাদের সাথে আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তারা গুম খুনের শিকার হয়েছে৷ এমনকি অনেক মানুষ আছেন যারা রাজনীতির সাথে জড়িত না, কিন্তু তারা অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়েছে, গুম খুনের শিকার হয়েছে৷ একটি সভ্য দেশে মানুষ গুম হয়ে যাবে, দেশের মানুষ খুন হয়ে যাবে, কিন্তু তার কোনো বিচার হবে না এটা তো হতে পারে না৷ কাজেই দেশের আইন অনুযায়ী অবশ্যই প্রত্যেকটা মানুষের বিচার পাবার অধিকার রয়েছে।