মূলত পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে জেট জ্বালানির মূল্য বেড়ে যাওয়া এবং বিভিন্ন আকাশপথে বিধিনিষেধের কারণে দূরপাল্লার ফ্লাইট পরিচালনা এখন বাণিজ্যিকভাবে কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া।
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো ও স্পাইসজেটের প্রতিনিধিত্বকারী ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স সরকারের কাছে চিঠি দিয়ে জানায়, জেট জ্বালানির লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে ভারতের বিমান শিল্প চরম চাপের মধ্যে রয়েছে এবং অনেক সংস্থা পরিচালনা বন্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।
অন্যদিকে মুম্বাই-নিউয়ার্ক রুটে ফ্লাইট বাড়িয়ে প্রতিদিনের সেবা চালু করা হচ্ছে। তবে দিল্লি-নিউয়ার্ক ও মুম্বাই-জন এফ কেনেডি রুট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
ইউরোপগামী কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রুটেও ফ্লাইট কমানো হয়েছে। দিল্লি-প্যারিস রুটে সাপ্তাহিক ফ্লাইট ১৪ থেকে কমিয়ে ৭টি করা হয়েছে। দিল্লি-কোপেনহেগেন, ভিয়েনা, জুরিখ ও রোম রুটে সাপ্তাহিক ফ্লাইট ৪ থেকে কমিয়ে ৩টি করা হয়েছে। দিল্লি-মিলান রুটে ফ্লাইট ৫ থেকে কমিয়ে ৪টি করা হয়েছে।
এ ছাড়া দিল্লি-সিঙ্গাপুর রুটে সাপ্তাহিক ফ্লাইট ২৪ থেকে কমিয়ে ১৪টি এবং মুম্বাই-সিঙ্গাপুর রুটে ১৪ থেকে কমিয়ে ৭টি করা হয়েছে। জুলাই থেকে দিল্লি-ব্যাংকক রুটে সাপ্তাহিক ফ্লাইট ২৮ থেকে কমিয়ে ২১টি এবং মুম্বাই-ব্যাংকক রুটে ১৩ থেকে কমিয়ে ৭টি করা হবে।
দিল্লি-কুয়ালালামপুর, হো চি মিন সিটি ও হ্যানয় রুটেও ফ্লাইট সংখ্যা কমানো হয়েছে।