ঘটনার পরপরই স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক, এপিবিএন, ফায়ার সার্ভিস এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, ‘দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল উদ্ধার কাজ করছে। ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে।’
তবে ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক রফিক বলেছেন, পাঁচজন শিশুর মরদেহ উদ্ধারের কথা।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপের নিচে আরো বহু শিক্ষার্থী আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এদিকে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে কক্সবাজার জেলায় বন্যা ও পাহাড় ধস পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢল এবং বাঁকখালী ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার ৯টি উপজেলার অন্তত ৩৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ।