দ্বিতীয়ার্ধেও দাপট দেখায় মিশর। ৫৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান মুস্তাফা জিকো। তবে কিছুক্ষণ পরই ভিএআর যাচাইয়ের পর সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। বিল্ড আপের সময় লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ফাউল করার কারণে গোলটি বাতিল করা হয়।
তবে বাতিল হওয়া গোলের পরও থেমে থাকেননি জিকো। ৬৭ মিনিটে ট্রানজিশন থেকে আবারও গোল করেন তিনি। এতে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। মনে হচ্ছিল, বিদায়ের দুয়ারে চলে গেছে দলটি।
তবে ম্যাচের শেষ দিকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। ৭৯ মিনিটে মেসির ক্রস থেকে মাথা ছুঁইয়ে গোল করেন ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো। এই শটেও হাত ছুঁয়েছিলেন শোবেইর, তবে বল ঠেকাতে পারেননি তিনি। এই গোলে ফের ম্যাচে ফেরে আর্জেন্টিনা।
এরপর ৮৩ মিনিটের মাথায় আসে মেসির অবিশ্বাস্য এক গোল। বক্সের ভেতর জটলার মধ্যে থেকে নেওয়া তার শট প্রথমে শোবেইরের হাতে লাগে। এরপর বল গিয়ে জড়ায় জালে। সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা।
এরপর যোগ করা সময়ে আসে জয়সূচক গোল। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে লাউতারো মার্তিনেজের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। এই গোলেই ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা এবং সেই ব্যবধান ধরে রেখেই ম্যাচ শেষ করে দলটি।
এই জয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।