বিড়িতে সুখ টান দিয়েও জামায়াতের ভোট চাইলে সব গুনাহ মাফ হতে পারে: জামায়াত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক

ঝালকাঠি-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক বলেছেন, ‘এমনও হইতে পারে আমার ভাই হয়তো জীবনে কোনদিন ইবাদত করার সুযোগ পায় নাই। তবে ওই সুখ টান দেওয়া বিড়ির মধ্যেও যদি সে ওই দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিয়ে আল্লাহর দ্বারে কবুল হয়ে যায়। এমনও হইতে পারে আপনার অতীতের সব গুনাহ মাফ হইয়া যাইতে পারে।’তার দেওয়া এই বক্তব্য তারই ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে লাইভে প্রচার করা হয়। যা বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে ভাইরাল হয়। তিনি গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে রাজাপুরে নির্বাচনী উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেছিলেন।

জামায়াত প্রার্থী ফয়জুল হক বলেন, ‘আপনারা দৈনিক বিড়ি খান না। ৫/১০টা বিড়ি যে দোকান থেকে খাবেন, ওই দোকানে গিয়ে বিড়ি অর্ডার দেবেন। আর লগে বিড়ি দরিয়ে একটা সুখটান মাইরা বলবেন, কী খবরডা কী ক দেহি? কারবারডা দেখছো? দাঁড়িপাল্লা ছাড়া এদেশে তো আর মানুষ দেখি না। আমি তো গল্পের ছলে বলি, তাই আপনাদের আনন্দ লাগতেছে।’

পুরুষদের জন্য পরামর্শ দিয়ে জামায়াত মনোনীত এই প্রার্থী বলেন, ‘আপনারা চা খান দোকানে গিয়ে? কার টাকার চা খান? কয় টাকার চা খান? এখন থেকে ৫ টাকার চা খাবেন আর ১৫ টাকার গল্প করবেন। নিজে ৫ টাকার চা অর্ডার দিয়ে গল্প শুরু করবেন।’

নারী ভোটারদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘জীবনে অনেক গপ্পো মারছেন। প্রত্যেকদিন বিকেলে উঠানে যাইয়া একজন আরেকজনের মাথা… মাথা আঁচড়াইয়া দিছেন। কিন্তু আজকে থেকে একটা মাথাও আর ফ্রি আঁচড়াইবেন না। যাইবেন, ভাবির মাথায় চিরুনি রেখেই গল্প শুরু করবেন দাঁড়িপাল্লার। আগামী নির্বাচনে অন্তত একবারের জন্য ড. ফয়জুল হকরে রাজাপুর কাঁঠালিয়ায় দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবা। এরপর কমপক্ষে মা, বোন আত্মীয়-স্বজনসহ ২০ জন মহিলাকে ফোন দিয়ে ভোট দেওয়ার কথা বলবেন।’ভিডিওতে তাকে আরও বলতে শোনা যায়, নির্বাচনের রাতে ঘুমাবেন না। ফেব্রুয়ারি মাসের ১১ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত ঘুমাবেন। এরপর রাতের বেলা বাসায় ভালো খাবার রান্না করে স্বামীকে আদর যত্ন করে তুলে খাইয়ে, আপনিসহ আত্মীয়-স্বজন সবাইকে নিয়ে, সবার আগে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে আসবেন। এরপর ভোট গুনে বাড়ি এসে বিজয় মিছিল করে ঘুমাবেন।’

Leave A Reply

Your email address will not be published.