ক্যান্সার ধরা পড়ার পর আলমগীর ৮ মাস লন্ডনে চিকিৎসা নেন। এরপর ধীরে ধীরে নিজের শরীরে ক্যান্সারকে জয় করেন।
তিনি বলেন, ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা একপর্যায়ে নিজেকে খুবই অসহায় মনে করেন। এটা জয় করতে পারাটা অসম্ভব মনের জোরের প্রয়োজন।
নায়ক ক্যান্সার আক্রান্ত সহকর্মীদের পাশে দাঁড়ান সবসময় নিজের সামর্থ দিয়ে। নিজের অবস্থানটা খুব করে অনুভব করন তখন।
বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা আলমগীরের জন্ম ১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল। ৫ দশকের বেশি সময় ধরে ২৩০টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করে রেকর্ড ৯ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৭৩ সালে ‘আমার জন্মভূমি’ দিয়ে অভিষেক ঘটা এই বরেণ্য অভিনেতা অ্যাকশন, রোমান্টিক ও সামাজিক সব ধরনের চরিত্রে সফল।