এতে ক্রজনার বলেন, নতুন কর্মসূচি বিবেচনার অংশ হিসেবে আইএমএফের কর্মকর্তারা বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাদের সংস্কার পরিকল্পনা এবং নীতিগত অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করছেন।
তিনি জানান, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে অনুমোদিত এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি, এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি এবং রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটির অধীনে চলমান কর্মসূচিগুলো একটি কঠিন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। তবে বর্তমানে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে, যার ফলে নতুন করে সংস্কার প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
বিবৃতিতে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং রাজস্ব আহরণের নিম্ন হার প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
এছাড়া, আইএমএফ বাংলাদেশকে টেকসই সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।