বাজেটকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করার চেষ্টা করা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

সরকারের নতুন বাজেট দেশের সব নাগরিককে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী । তিনি বলেন, বাজেটের প্রতিটি বিষয়ই সরকারের নীতিগত অঙ্গীকারের প্রতিফলন এবং এটিকে যতটা সম্ভব অন্তর্ভুক্তিমূলক করার চেষ্টা করা হয়েছে।

আজ শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনৈতিক কর্মপরিকল্পনাবিষয়ক সম্মেলন’-এর এক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কার্যকর করনীতি প্রণয়নের জন্য দক্ষ ও বিশেষজ্ঞভিত্তিক একটি নীতিনির্ধারণী কাঠামো প্রয়োজন। একই সঙ্গে নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে জনগণের মতামতের প্রতিফলন নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি জানান, সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হলো আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং সৃজনশীল অর্থনীতিকে বিকশিত করা। এ লক্ষ্যে গ্রামীণ কারিগর, শিল্পী, ডিজাইনার, গায়ক ও অন্যান্য সৃজনশীল পেশাজীবীদের অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণ, দক্ষতা উন্নয়ন, নকশা ও ব্র্যান্ডিং সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের পণ্যকে বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছে দিতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি জানান, এবারের বাজেটে সৃজনশীল অর্থনীতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এর পরিধি আরও সম্প্রসারিত হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার নাগরিকদের জন্য জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ও সহায়তা কাঠামো গড়ে তুলতে চায়। এর মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।সৃজনশীল অর্থনীতির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ এ খাত থেকে বিপুল আয় করছে এবং বাংলাদেশও এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারে

Leave A Reply

Your email address will not be published.