কোয়ার্টার ফাইনালে ১০ জনের ইংল্যান্ড

এক পর্যায়ে ১০ জনের দলে পরিণত হয়েছিল ইংল্যান্ড। ফলে প্রত্যাবর্তনের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছিল স্বাগতিক মেক্সিকোর সামনে। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়ায় ৩-২ ব্যবধানে হার মেনে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।

ম্যাচের শুরুতে দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেললেও প্রথম গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৩৬ মিনিট পর্যন্ত। ডান প্রান্ত থেকে বুকায়ো সাকার নিখুঁত ক্রসে হেডে গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন জুড বেলিংহাম। মাত্র দুই মিনিট পর আবারও গোলের দেখা পান রিয়াল মাদ্রিদের এই মিডফিল্ডার। এবারও গোলের যোগান দেন অধিনায়ক সাকা। দ্রুত দুই গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।

তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় মেক্সিকো। ৪২ মিনিটে জুলিয়ান কুইনোনেস গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ২-১ করেন। এই স্কোরলাইন নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচে নতুন মোড় আসে। ৫৪ মিনিটে ভিএআরের সহায়তায় ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জ্যারেল কুয়ানসাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। ফলে বাকি সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় ইংল্যান্ডকে।

সংখ্যাগত সুবিধা পেয়েও সেটিকে কাজে লাগাতে পারেনি মেক্সিকো। বরং ৬০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ইংল্যান্ডের ব্যবধান আরও বাড়ান হ্যারি কেইন। এরপর ৬৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে রাউল হিমিনেজ গোল করে ব্যবধান ৩-২ করলেও শেষ পর্যন্ত সমতায় ফিরতে পারেনি স্বাগতিকরা।

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই নিশ্চিত হয় ইংল্যান্ডের ৩-২ ব্যবধানের জয় এবং বিশ্বকাপে তাদের পরবর্তী পর্বে অগ্রযাত্রা। অন্যদিকে নিজেদের মাঠে লড়াই করেও হতাশাজনক বিদায় নিতে হয় মেক্সিকোকে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.