স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজিবিকে আরও শক্তিশালী ও বিশ্বমানের বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রযুক্তি ও বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে।
মিয়ানমার সীমান্তে ‘আরাকান আর্মি’সহ উগ্রবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা থাকায় এরই মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিজিবি সদস্যদের সুরক্ষায় দেওয়া হয়েছে ল্যান্ডমাইন ডিটেকশন যন্ত্রপাতি। প্রতিবেশী দেশে সরকার বদলের পর পুশইনের চেষ্টা করা হলেও, বিজিবির বীরত্বে তা নস্যাৎ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।