আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালন কালীন সময়ে—স্বৈরাচারের শেষ দিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের পুরোটা এবং বর্তমান রাজনৈতিক সরকারের এই প্রায় পাঁচ-ছয় মাস—এই সময়ে তিনি সাংবিধানিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিধি-বিধান অনুযায়ী করেছেন। আমরা মহামান্য রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা পেয়েছি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এখন সেই সময়টায় সংবিধান অনুসারে তিনি প্রিভিলেজড এবং ইমিউনিটি আছে তার। ফৌজদারী অপরাধ ইত্যাদির বিষয়ে কোনো আদালতে মামলা করা যায় না। এর বহির্ভূত কোনো সময়ে যদি কোন বক্তব্য কেউ দিয়ে থাকে, সেটা তাদের স্বাধীনতা আছে, দিতে পারবে। তবে আমরা আমলে নেয়ার মত কোন বিষয় এখানে দেখিনি।
এদিকে চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাওয়ার পর ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মো. সাহাবুদ্দিনের ফোনালাপের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা আমরা পত্রিকায় দেখেছি। কোনো পত্রিকা এরকম একটা নিউজ দিল, তার কাছে কি তথ্য-প্রমাণ আছে, তাকে জিজ্ঞেস করতে হয়। আমাদের কাছে সেরকম কোনো তথ্য নেই।
তিনি আরও বলেন, আর কথা বলার জন্য লন্ডন যেতে হয় নাকি? আজকালকার ইন্টারনেটের দুনিয়ায় লন্ডন যেয়ে কারো সাথে কথা বলতে হয় না। তো এটা আমার কাছে অলিগ মনে হয়, কথা বলতে চাইলে তো এখান থেকেও বলা যায়।