হজে যেতে আগ্রহীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রাথমিক নিবন্ধন শেষ করতে হবে। ই-হজ সিস্টেমের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি দুই মাধ্যমেই নিবন্ধন করা যাবে। তবে প্রাথমিক নিবন্ধনের আগে প্রত্যেক হজযাত্রীকে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে। এরপর সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে। প্রাথমিক নিবন্ধনকারীদের আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্ধারিত হজ প্যাকেজের বাকি অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
হজে যেতে আগ্রহীদের নির্ধারিত মেয়াদের পাসপোর্ট থাকতে হবে। ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ রয়েছে—এমন পাসপোর্ট প্রয়োজন হবে। এ ছাড়া প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরন এবং হজ প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে। তবে ১৫ বছরের কম বয়সী কেউ হজে যেতে পারবেন না। একইভাবে গুরুতর হূদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, স্নায়ুবিক বা মানসিক রোগী এবং ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা হজে যেতে পারবেন না। কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিচ্ছেন—এমন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরাও হজে যেতে পারবেন না। জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন সক্রিয় সংক্রামক রোগ, যেমন—যক্ষ্মা ও হেমোরেজিক ফিভারে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও হজে যেতে পারবেন না। গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাস এবং ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় কোনো নারী হজযাত্রী ফিটনেস সনদ পাবেন না।