ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : বৈরুতের দক্ষিণ উপশহর হারেত হ্রেইকে রোববার এক বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত চিফ অব স্টাফ আলি তাবতাবাইকে হত্যা করেছে। এক বছরের মার্কিন-সমর্থিত যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও এই হামলা চালানো হয়। খবর রয়টার্স।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, লেবাননের রাজধানী বৈরুতের উপকণ্ঠে চালানো এ হামলায় হিজবুল্লাহর ভারপ্রাপ্ত চিফ অব স্টাফ আলি তাবতাবাইকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। গত কয়েক মাসের মধ্যে লেবাননের রাজধানীতে এটিই প্রথম হামলা।
হিজবুল্লাহ এক বিবৃতিতে তাবতাবাইয়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তাকে ‘মহান জিহাদি কমান্ডার’ হিসেবে উল্লেখ করে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
হিজবুল্লাহ কর্মকর্তা মাহমুদ ক্বোমাতি অভিযোগ করেন, ইসরায়েল সীমা অতিক্রম করেছে এবং প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সংগঠনের নেতৃত্ব। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, তাবতাবাই হিজবুল্লাহর অধিকাংশ ইউনিট পরিচালনা করতেন এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি পুনরুদ্ধারে সক্রিয় ছিলেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, হিজবুল্লাহকে পুনরায় শক্তি সঞ্চয় করতে দেয়া হবে না এবং লেবানন সরকারকে সংগঠনটিকে নিরস্ত্র করার দায়িত্ব নিতে হবে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েলি হামলা থামাতে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।
২০২৪ সালের নভেম্বরের যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল প্রায় প্রতিদিনই হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে অভিযান চালিয়ে আসছে। গত বছরের যুদ্ধে হিজবুল্লাহর বেশিরভাগ শীর্ষ নেতৃত্ব, এমনকি তখনকার নেতা হাসান নাসরাল্লাহও নিহত হয়েছিলেন।