ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০

ইরানে দুর্বল অর্থনীতিকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভকে ঘিরে সহিংসতায় আরো দুইজন নিহত হয়েছেন বলে শনিবার দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এর ফলে চলমান আন্দোলনে মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, বিক্ষোভ থামার কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না।

এদিকে  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার ইরানকে সতর্ক করে বলেন, ‘তেহরান যদি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের সহিংসভাবে হত্যা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসবে’।

ট্রাম্প কীভাবে বা আদৌ হস্তক্ষেপ করবেন কি না—তা স্পষ্ট না হলেও তার এই মন্তব্যের পরই ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার ভেতরে থাকা কর্মকর্তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এবং মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাদের লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দেন।
গত এক সপ্তাহ ধরে চলা এই বিক্ষোভ ২০২২ সালের পর ইরানে সবচেয়ে বড় আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। ২০২২ সালে পুলিশ হেফাজতে ২২ বছর বয়সী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। তবে বর্তমান আন্দোলন এখনো মাহসা আমিনির মৃত্যুকে ঘিরে হওয়া বিক্ষোভের মতো এতটা বিস্তৃত বা তীব্র হয়নি। মাহসা আমিনিকে কর্তৃপক্ষের পছন্দ অনুযায়ী হিজাব না পরার অভিযোগে আটক করা হয়েছিল।

শনিবার ভোররাত পর্যন্ত সংঘটিত সহিংসতায় সহিংসতার মাত্রা আরো বেড়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত পত্রিকার খবরে বলা হয়, দেশটির গুরুত্বপূর্ণ শিয়া ধর্মীয় শিক্ষাকেন্দ্রের শহর কুমে একটি গ্রেনেড বিস্ফোরণে এক ব্যক্তি নিহত হন। নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, নিহত ব্যক্তি শহরে হামলার উদ্দেশ্যে ওই গ্রেনেড বহন করছিলেন। সূত্র: এপি

Leave A Reply

Your email address will not be published.