আপিল শুনানি গ্রহণ করেন- প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ফুল কমিশন। এর মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানেরশীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আর কোনো বাধা থাকল না এই শিল্পপতির।
এর আগে একই আসনে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক গত ৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।
আপিলে অভিযোগ করা হয়, আবদুল আউয়াল মিন্টু মার্কিন নাগরিকত্ব প্রত্যাহার না করেই নির্বাচনী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে থাকা মামলার তথ্য গোপন করেছেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তার মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানানো হয়।
দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন বলেন, ইসির রায়ের মাধ্যমে আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং সত্যের জয় হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী স্বস্তিবোধ করছে এবং ধানেরশীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হবে।
সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের সভাপতি খুরশিদ আলম ভূঁঞা বলেন, মিন্টুকে জয়ী করতে দলমত নির্বিশেষে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে।
সব শঙ্কার মধ্যেও মিন্টু ও মানিক একই উপজেলার বাসিন্দা হওয়ায় প্রথমবারের মতো দাগনভূঞা থেকে সংসদ সদস্য পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে এ আসনে ফেনী সদর, সোনাগাজী, সেনবাগ ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কখনো দাগনভূঞা থেকে এমপি নির্বাচিত হননি।
২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ থেকে আবুল বাসার, ১৯৯৬ সালে বিএনপি থেকে সাংবাদিক ফেরদৌস আহমেদ কৌরেশী, ২০১৮ সালে আকবর হোসেন, ২০১৪ সালে জাতীয় পার্টি থেকে রিন্টু আনোয়ার এবং ১৯৭০, ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে জামায়াত থেকে মকবুল আহমদ নির্বাচন করলেও কেউ এমপি হতে পারেননি।
এই আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন ১১ জন। এর মধ্যে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন রিটার্নিং কর্মকর্তা বাতিল করেন। আসনটিতে মোট ভোটার পাঁচ লাখ তিন হাজার ৮৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ৫৯ হাজার ৮০০ জন এবং নারী ভোটার দুই লাখ ৪৩ হাজার ২৮৫ জন। মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৬১টি।