চীনা অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২০২৫ সালে ৫ শতাংশ

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনের প্রবৃদ্ধি ২০২৫ সালে দাঁড়িয়েছে ৫ শতাংশে। সরকারি লক্ষ্য পূরণ হলেও, কয়েক দশকের মধ্যে এটি অন্যতম দুর্বল প্রবৃদ্ধি বলে জানিয়েছে বেইজিং।

আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধ সত্ত্বেও চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সরকারি প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তবে ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কের প্রভাব সামাল দিতে পারলেও, প্রবৃদ্ধির হার ২০০০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত গড়ে প্রায় ৮% হারের যে প্রবণতা ছিল, সে অনুযায়ী অনেক কম বলে ধারণা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গত কয়েক দশকে চীনের গড় প্রবৃদ্ধি যেখানে ছিল প্রায় ৮ শতাংশ, সেখানে এবারের প্রবৃদ্ধি ঐতিহাসিকভাবে বেশ দুর্বল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক যুদ্ধের মধ্যেও চীনের অর্থনীতি বড় ধাক্কা সামলাতে পেরেছে। রফতানি বেড়ে যাওয়ায় ভোক্তা ব্যয়ের দুর্বলতা আর দীর্ঘস্থায়ী আবাসন খাতের সংকট কিছুটা সামাল দেওয়া গেছে।

চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো জানায়, একাধিক চাপ থাকা সত্ত্বেও ২০২৫ সালে অর্থনীতি স্থিতিশীল অগ্রগতি বজায় রেখেছে। তবে বৈদেশিক নীতি পরিবর্তনের প্রভাব বাড়ছে, আর অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদার দুর্বলতা স্পষ্ট।

সার্বিকভাবে রফতানিই ছিল চীনের প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকা শক্তি। ২০২৫ সালে, চীনের রফতানি আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬ ট্রিলিয়ন ৯৮৯ বিলিয়ন ইউয়ানে।

শুল্ক বিভাগের তথ্যে দেখা যায়, চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ১৮৯ ট্রিলিয়ন ডলারে, যা সৌদি আরবের মতো বিশ্বের শীর্ষ ২০টি অর্থনীতির একটির মোট জিডিপির সমান।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের প্রভাব সামাল দিতে এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপে নতুন বাজার খুঁজছে চীনা কোম্পানিগুলো।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.