গতকাল বুধবার (১ এপ্রিল) হৃদয় হাসানের পক্ষে কুষ্টিয়া আদালতের আইনজীবী আব্দুল মজিদ এই নোটিশ পাঠান। এতে বলা হয়েছে, নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে ঘুষ প্রস্তাবকারীদের নাম জনসমক্ষে প্রকাশ অথবা তাদের আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে।
হৃদয় হাসান জানান, বুধবার দুপুরের পর লিগ্যাল (আইনি) নোটিশটি এমপি সাহেব বরাবর পাঠানো হয়েছে। নোটিশে সাত দিনের মধ্যে ঘুষ প্রস্তাবকারীর পরিচয় অথবা আইনগত ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। যদি তা না করা হয়, তাহলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানা গেছে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া শহরে একটি ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে আমির হামজা বলেন, “প্রায় সব মিলিয়ে শুধু মেডিকেল কলেজের জন্য ৫০ কোটি টাকার ওপরে অফার হয়েছে এই তিন দিনে। তা-ও কেউ জানবে না, শুধু আল্লাহ বাদে।
এর প্রায় এক মাস পর গতকাল বুধবার ছাত্রদলের এই নেতা আইনি নোটিশ পাঠান। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, আমির হামজা বিভিন্ন সময় জনসমক্ষে দাবি করেছেন যে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বন্ধ রাখার জন্য তিনি তিন দিনে ৫০ কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব পেয়েছেন, কিন্তু তা গ্রহণ করেননি।
এমনকি “কুষ্টিয়া লিখে দিলেও” তার অবস্থান বদলানো যাবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য-সচিব জাকির হোসাইন সরকার বলেন, “আমির হামজা মেডিকেল কলেজ চালু নিয়ে বললেন, তিন দিনে ৫০ কোটি টাকার অফার পেয়েছেন। অথচ তাকে কারা টাকার অফার করেছে, তাদের নাম বলছেন না। এটা একটি ক্রিমিনাল অফেন্স। তিনি জনসমক্ষে ঘুষ প্রস্তাবকারীদের নাম প্রকাশ করুন।”
এ বিষয়ে জানতে রাত ১১টার দিকে আমির হামজার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তার শ্যালক আবু বকর সিদ্দীক জানান, “এমপি সাহেব অধিবেশনে ছিলেন। ফোন বন্ধ রেখে বিশ্রামে আছেন। নোটিশ এখনো পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। নোটিশ পেলে পরবর্তী সময়ে বক্তব্য দেওয়া হবে।”