মঙ্গলবার ( ৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (আগের টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি বলেন, লাখো গর্বিত ইরানি শহীদ সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নিচ্ছেন। তারা কিংবা আমাদের সাহসী সশস্ত্র বাহিনী কোনো হুমকিতে ভীত নয়। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ করে বলেন, নিজেদের স্বাক্ষরের প্রতি সম্মান দেখান।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, আমরা চাইলে এক ঘণ্টার মধ্যে তাদের সেতুগুলো ধ্বংস করে দিতে পারি, তাদের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা অচল করে দিতে পারি। তাদের এখন কোনো অর্থ নেই, আমরাও তাদের কোনো অর্থ দিইনি।
দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্ক আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য কূটনৈতিক আলোচনা ও ভবিষ্যৎ সমঝোতা নিয়েও নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।-সূত্র: দ্য ন্যাশনাল নিউজ