তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই যাত্রী হয়রানি বন্ধে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ব্যাগেজ কাটা বন্ধ করা হয়েছে। তবে বিমানে যাত্রী হয়রানি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী বিমানকে গড়ে তুলতে কাজ চলছে।
মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করতে না পারলে সম্মানের সঙ্গে চলে যেতে হবে। যারা ভালো কাজ করবেন, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। বিমানের খাবারের মানও উন্নত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিমানকে ঘিরে মানুষের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
ঈশ্বরদী বিমানবন্দর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেখানে বিমানবন্দর জরুরি। অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরটি সম্প্রসারণ করতে হবে এবং এ বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ চলছে। ইউরেনিয়াম পরিবহনেও এই বিমানবন্দর সহায়তা করবে।
অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের সংখ্যা আপাতত বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাজেট এয়ারলাইন চালুর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
দ্রুতগতির ট্রেন চালুর বিষয়েও সরকার কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি চালু হলে দেশে এতো বেশি বিমানবন্দরের প্রয়োজন হবে না।