বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একাত্তরে যারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্যাতন করেছিলো তারাই আবার নবরুপে ফিরে এসে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে। তাদের হাতে এদেশের সকল নাগরিক নিরাপদ কিনা দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন রাখেন সালাহউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি ধর্ম ভিত্তিক দলের হাতে এদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হতে হয়েছিলো, ত্যাগ শিকার করতে হয়েছিলো, যা সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের পূর্ব পুরুষেরা জানেন। যারাই স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি কিংবা স্বাধীনতা চায়নি তারাই সনাতনী ভাইবোনদের এমন নির্যাতন করেছিলো।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপির শাসন আমলে এদেশের সবে ধর্মের মানুষ নিরাপদ ছিলো। আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশের সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি এদেশের সব মানুষকে নিয়ে যারাই এই ভূখণ্ডে বসবাস করেন তাদের সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।আমরাও কোনো ধরনের জাতি বিভক্তি, ধর্মীয় বিভক্তি কিংবা বর্ণ বিভক্তি চাই না আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশি হিসেবে বসবাস করতে চাই।
এ সময় পেকুয়া উপজেলা বিশ্বাস পাড়া পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক চন্দময় বিশ্বাস তিলকের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন, পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদীদ মুকুট, বিশ্বাস পাড়া কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের সভাপতি শিমুল বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক রমেশ বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুমন বিশ্বাস, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অংতোয়াইচিং রাখাইন, বারবাকিয়া লোকনাথ মন্দিরের পরিচালনা কমিটির সভাপতি রিপন কান্তি নাথ, বারবাকিয়া সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরের সভাপতি পরিতোষ নাথ, শিলখালী বিষ্ণু মন্দিরের সভাপতি মাস্টার অনিল কান্তি শীল।