যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের অনেক ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিকল্পনা এই সিদ্ধান্তে থমকে গেছে। কবে নাগাদ ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে—সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকায় প্রবাসীদের মধ্যে তীব্র উৎকণ্ঠা ও মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে।
এমনকি যারা ইতোমধ্যে বৈধভাবে গ্রিন কার্ড বা মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়েছেন, তাদের মধ্যেও এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। কারণ ট্রাম্প প্রশাসন পূর্বে ইস্যু করা গ্রিন কার্ড ও নাগরিকত্ব পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণাও দিয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি অভিবাসীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা গ্রহণ করেন। ফলে এখন থেকে নতুন অভিবাসীদের ক্ষেত্রে তাদের আর্থিক সামর্থ্য অত্যন্ত কঠোরভাবে যাচাই করা হবে।
স্পন্সরদের ওপর বাড়তি চাপ
পড়াশোনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে পরবর্তীতে স্থায়ী হওয়ার পরিকল্পনাকারীদের জন্যও পরিস্থিতি কঠিন হয়েছে। পড়াশোনা শেষে চাকরি খোঁজার যে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হতো, সেটি পাওয়ার প্রক্রিয়া এখন আরও জটিল হয়ে পড়বে।
এ ছাড়া যারা ইতোমধ্যে স্ট্যাটাস পরিবর্তনের মাধ্যমে গ্রিন কার্ডের আবেদন করেছেন, ভিসা স্থগিতের কারণে তাদের দীর্ঘ সময় অনিশ্চয়তায় কাটাতে হবে।
কোন ভিসা এর বাইরে?
এই স্থগিতাদেশ শুধুমাত্র অভিবাসন বা ইমিগ্রেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। পর্যটন, ব্যবসায়িক ভ্রমণ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নন-ইমিগ্রেন্ট ভিসা এই সিদ্ধান্তের বাইরে রাখা হয়েছে।
অর্থাৎ সাধারণ দর্শনার্থী ও বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের চলাচলে আপাতত কোনো সরাসরি নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকরা ভিসার জন্য আবেদন বা সাক্ষাৎকার দিলেও, স্থগিতাদেশ চলাকালে নতুন কোনো অভিবাসন ভিসা ইস্যু করা হবে না।